শিক্ষাব্যবস্থার কাঁধে ঔপনিবেশিকতার মামদো ভূত
শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে সাধারণ পঠন-পাঠন থেকে শুরু করে তাদের সিলেবাস ও কারিকুলামের বাইরে উচ্চশিক্ষা সংস্কারে আর কোনো আলোচনা হয়েছে কী? এই সম্পর্কিত সবগুলো প্রশ্ন পাশাপাশি সাজিয়ে লিখলে তার প্রতিটির অভিন্ন উত্তর হবে ‘বিরাট একটা না।’ তারপরও নব্বই দশক থেকে শুরু করে ফ্যাসিস্ট কিংবা গণতান্ত্রিক, বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি সরকার চেষ্টা করেছে পশ্চিমাদের চাওয়া-পাওয়াকে সামনে রেখে শিক্ষাব্যবস্থাকে কাঠামোবদ্ধ করতে। শিক্ষার্থীরা পাস করে বের হওয়ার পর এই শিক্ষা নিয়ে নিজের জীবনবোধ ও মানবিকতার উৎকর্ষে নতুন মানুষ হয়ে উঠবে নাকি নচিকেতার গানে সুর মেলাবে সেটা বলা কঠিন। এমনকি এই শিক্ষা তাদের খেয়ে-পরে বেঁচে থাকার পথ তৈরি করতেও অপারগ।
নচিকেতা আক্ষেপের সুরে বলেছিলেন, ‘আজকে যিনি কয়লামন্ত্রী কালকে তিনি শিক্ষা, তাই কয়লাকালো শিক্ষা নিয়ে মানুষ করে ভিক্ষা।’ বাংলাদেশের বাস্তবতায় শিক্ষা নিয়ে কোনো মতামত লিখতে গেলে সবাই চোখ বন্ধ করে এই লাইনটা লিখে দেন। এমনকি বক্তব্য দিতে গেলে অনেক শিক্ষাবিদ থেকে শুরু করে বিশ্লেষক সবার পছন্দের শীর্ষে থাকে এই লাইনটাই। কিন্তু এতগুলো বছর পার করে এসেও তারা বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে এই লাইনের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করার উদ্দেশ্যে তেমন কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেননি।
নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় যে কথিত উদারনৈতিক নীতিমালার সংযুক্তি ঘটেছিল তার মধ্য দিয়েই পুনর্জীবন লাভ করেছে ঔপনিবেশিকতার মামদো ভূত তথা ব্যাবিংটন ম্যাকুলের অতৃপ্ত আত্মা। এখানে একটি কেন্দ্রীভূত ঔপনিবেশিক বুরোকারেটিক ব্যবস্থায় পরিচালিত কাঠামোর প্রয়োজনে কিছু কামলা তৈরি করাই শিক্ষার মূল লক্ষ্য। তাদের হিসেবে এই শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিরা হবে সুকুমার রায়ের বাপুরাম সাপুড়ের সাপের মতো। ইয়ে মানে ‘যে সাপের চোখ নেই, /শিং নেই নোখ নেই, /ছোটে না কি হাঁটে না, /কাউকে যে কাটে না,/করে নাকো ফোঁসফাঁস, /মারে নাকো ঢুশঢাশ, / নেই কোনো উৎপাত, খায় শুধু দুধভাত।’ অর্থাৎ ম্যাকুলের অতৃপ্ত আত্মাকে তৃপ্ত করার এই শিক্ষাব্যবস্থা আর যাই হোক কখনও ঔপনিবেশিক শিক্ষাসহ কোনো অবকাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করতে যাবে না।
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় কথিত যে পরিবর্তনের দেখা মিলেছিল তার মূল কারণ ‘স্বল্পমেয়াদি অর্থনৈতিক লাভ এবং করপোরেট স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া।’ এখানে বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ক্ষতি করে ফ্যাসিবাদ পুনর্জাগরণের নীতিমালাগুলোকে সিরাপের মতো গুলিয়ে খাওয়ানো হয়েছে। কারণ এই ব্যবস্থার বেশির ভাগ বিভিন্ন প্রশাসকের দ্বারা প্রণীত। এখানকার প্রধান অংশীজন যেমন শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের নাগরিক প্রতিনিধিদের গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণকে পুরোপুরি উপেক্ষা করে বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু উচ্চশিক্ষা শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ নয়, এটি একটি মুক্ত স্থান যা নাগরিকত্ব, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পৃক্ততা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার তৈরি করতে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে যদি ক্রমাগত সমালোচনামূলক মূল্যায়ন করা না হয়, তাহলে উদারনৈতিক নীতিমালা বা সংস্কারের দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং একাডেমিক প্রভাব বাংলাদেশে গভীর হতে পারে। তবে দুঃখজনকভাবে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ঘাড় থেকে এখনও উত্তর-ঔপনিবেশিকতার ভূতকে নামানো যায়নি।
সম্প্রতি এই বিষয়গুলো নিয়ে লেখক ও শিক্ষাবিদ শেখ নাহিদ নিয়াজী ‘Decolonising Higher Education in Bangladesh Is Imperative’ শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ একটি নিবন্ধ লিখেছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন ‘বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের বিবিধ পরিবর্তনের একটি স্পষ্ট লক্ষণ হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের করপোরেটায়ন, বিশেষত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পুরোপুরি বাজারভিত্তিক নয়, তবুও তা ক্রমেই একটি লাভ-উৎপাদক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হতে শুরু করেছে, যেখানে উপাচার্যরা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) হিসেবে কাজ করেন, শিক্ষকরা ব্যবস্থাপক হিসেবে এবং শিক্ষার্থীরা ক্রেতা বা গ্রাহক হিসেবে। উচ্চশিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত অর্থকে হুমকির মধ্যে ফেলেছে। এবং এই প্রবণতাটি শিক্ষাকে একটি পণ্য হিসেবে পরিণত করেছে, কারণ বর্তমানে ডিগ্রিগুলোকে ‘চাহিদাযুক্ত পণ্য’ হিসেবে দেখা হয়। এখন প্রশ্ন থাকে- উচ্চশিক্ষা কি শুধু করপোরেট চাহিদা পূরণ করবে, নাকি এটি আমাদের বোধশক্তিসম্পন্ন সমালোচনামূলক চিন্তাবিদ, দায়িত্বশীল এবং জ্ঞানী নাগরিক হতে সহায়তা করবে এবং আরও মানবিক করে তুলবে?’
বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চাকরির বাজারের উপযুক্ত দক্ষতাসম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট তৈরির জন্য চলমান সংগ্রামের অংশ হিসেবে এমন কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে যা মূলত শিক্ষাকে বাজারমুখী করেছে। অন্যদিকে বেশির ভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় করপোরেটকরণের মধ্য দিয়ে বহু আগেই বাজারমুখী হয়েছে। তাই পাবলিক-প্রাইভেট দুই খাতের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধীরে ধীরে যখন অভিন্ন পথে এগিয়ে যাচ্ছে তখন শিক্ষার ঔপনিবেশিকতা নতুন করে গতি পেয়েছে। আমলাতান্ত্রিক নানা উদ্যোগের মধ্যে শুরুতেই ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (IQAC)-এর কথা বলা যেতে পারে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও পরিমাণগত আউটপুটের দিকে মনোনিবেশ করতে চাপ দিচ্ছে। এখানে শিক্ষার মানবিক দিক কিংবা সৃজনশীলতার বিপরীতে চাকরিবাজারকেন্দ্রিক আউটকাম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এক কথায় বলতে গেলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমালোচনামূলক সৃষ্টিশীল চিন্তাভাবনা কিংবা প্রতিবাদী প্রবৃত্তিকে পুরোপুরি গলাটিপে মেরে ফেলা হচ্ছে।
বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে খ্যাপ মারা, মাল্টিন্যাশনাল প্রকল্পের কামলা খাটা কিংবা ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের মতো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের কনসাল্টেন্সিতে যুক্ত আমাদের শিক্ষাবিদ এবং শিক্ষানুরাগীরা প্রচলিত শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে মোটেও আগ্রহী নন। শিক্ষার উন্নয়নের নামে গৃহীত পদক্ষেপগুলো প্রকৃতপক্ষে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্য বা সারবত্তা পূরণ করছে কিনা সেটা নিয়ে তাদের মোটেও কোনো চিন্তা নেই। তাই সরাসরি চাকরির বাজারের চাহিদার সঙ্গে সম্পর্কিত না হলেও, বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা এবং নৈতিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য বিষয়গুলো শিক্ষার ক্ষেত্রে পুরোপুরি উপেক্ষিত। সময়ের আবর্তে দর্শন, পদার্থবিদ্যা, গণিত, নৃবিজ্ঞান এবং ইতিহাসের মতো মৌলিক বিষয়গুলোর প্রতি উপেক্ষা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক কম্পিউটার সায়েন্স, ডাটা সায়েন্স, ফার্মেসি, মাইক্রোবায়োলজি, ব্যবসায় প্রশাসন এবং অন্যান্য প্রকৌশল কোর্স নিয়ে যারা ডিগ্রি অফার করছে তাদের পোয়াবারো। নিজের পরিচিতি ঠিক করে লিখতে গেলে যে শিক্ষার্থীর হৃৎকম্প ওঠে, চার বছর পর স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে সেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য ফাইল বগলে করে ধরনা দিচ্ছে।
ইয়্যুভাল নোয়াহ হারারির নেক্সাস বইটি প্রকাশের পর বিশ্বের নানা দেশে বিবিধ প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে শিক্ষা সংস্কার ও রূপান্তর নিয়ে। একটি জাতি কেবল প্রযুক্তিগত দক্ষতার ওপর জোর দেয়, তবে কি তা সত্যিই অগ্রগতি করতে সক্ষম হবে? নাকি তারা উপযুক্ত কামলা তৈরি করে আর্থিক সমৃদ্ধি অর্জন করবে। পাশাপাশি সামাজিক-সাংস্কৃতিক অস্থিরতার মুখে তাদের ভেঙে পড়তে হবে। এজন্যই নতুন পরামর্শ আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানোর পরিবর্তে আমাদের উচিত উচ্চমানের প্রতিষ্ঠান স্থাপন করার দিকে মনোনিবেশ করার প্রতি। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মাশরুমের মতো সংখ্যাবৃদ্ধি শিক্ষাগত মান হ্রাস করবে। একটি টেকসই দৃষ্টিভঙ্গি হলো এমন কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনিয়োগ করা যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎকর্ষ অর্জন করবে, শীর্ষমানের গবেষণা, উদ্ভাবন, শিক্ষাদান এবং কমিউনিটি বা পাবলিক অ্যাঙ্গেজমেন্টে অগ্রগতি ঘটাবে। অবশ্যই শেষে মানটাই গুরুত্বপূর্ণ।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কিছুটা উদারনৈতিক চর্চা গ্রহণ করলেও আমলাতান্ত্রিক চাপ থেকে মুক্ত নয়। ওয়াল্টার ফেইনবার্গের শিক্ষা মডেল একটি রূপান্তরের রোডম্যাপ প্রদান করেছিল। বাংলাদেশে এই নীতির আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ঢেলে সাজানো, সমালোচনামূলক অনুসন্ধান এবং একাডেমিক তথা বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার স্থান হিসেবে স্বীকৃত করে তুলতে পাড়ি দিতে হবে অনেকটা পথ। উচ্চশিক্ষার পরিবেশে একটি টেকসই পদক্ষেপ ছাড়া, আমরা একটি এমন সিস্টেম রক্ষা করার ঝুঁকি নিচ্ছি যা শুধু কিছু বিশেষ সুবিধাভোগী শ্রেণির উপকারে আসে এবং বৃহত্তর জনগণের প্রতি বৈষম্যমূলক। এর উত্তরে রয়েছে শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠন এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার একটি অর্থপূর্ণ উদ্দেশ্য খুঁজে বের করা।
ফেইনবার্গের প্রখ্যাত এজুকেশন অ্যান্ড ডেমোক্রেটিক থিওরি যে মূল্যবান কাঠামো প্রদান করেছিল তা বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় নতুন করে ভাবনার উপলক্ষ আনতে পারে। শিক্ষার শুধু করপোরেট বা অর্থনৈতিক স্বার্থে কাজ করা উচিত নয়, বরং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সমালোচনামূলক চিন্তা এবং পাবলিক অ্যাঙ্গেজমেন্টের উন্নতি ঘটাতে হবে। এই মডেলের অধীনে, উচ্চশিক্ষা একটি মুক্ত স্থান হিসেবে পরিণত হয়, যেখানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা মিলে সাম্প্রতিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক ইস্যুগুলোর সমাধান করতে সহযোগিতা করবে। শিক্ষা এবং গণতন্ত্রের ধারণাটি জোর দেয় যে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচিত দায়িত্বশীল, জানানো এবং যুক্তিবাদী নাগরিক তৈরি করা, শুধু করপোরেট বিশ্বের জন্য দক্ষ কর্মী নয়। ওদিকে সবকিছু ছুড়ে ফেলে আমরা পড়ে আছি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অথর্ব সন্তানদের কীভাবে সেখানে ভর্তির সুযোগ দেওয়া যায়। তার পর পাস করে বের হলে চাকরি দেওয়া যায় সেই অসুস্থ কোটা পদ্ধতি নিয়ে।
ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থার এই কাঠামোগত মামদো ভূতকে যদি আমরা ঘাড় থেকে নামাতে না পারি তাহলে পুরো শিক্ষাব্যবস্থার হাল হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষকের মতো; কোটার পক্ষে নতুন ধান্দা করতে সমবেত জমায়েত দেখে ক্ষিপ্ত শিক্ষার্থীরা আক্রমণ করে যাকে দাড়ি ধরে টেনে মাটিতে ফেলে দিয়েছিল। এই ঘটনা একই সঙ্গে সবার মনে কিছুটা করুণা আর হাস্যরস জন্ম দিলেও কেউ এগিয়ে আসেনি ওই শিক্ষকের পক্ষে দুই কথা বলে তাকে উদ্ধার করতে। আর এভাবেই অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিণতি হবে প্রখ্যাত আদমজী জুটমিলের মতো। অর্থাৎ সুবিশাল অবকাঠামো আর প্রাতিষ্ঠানিক লটবহর থাকলেও সেখানে কর্মকাণ্ডের চাঞ্চল্য আর উপস্থাপনযোগ্য সক্রিয়তা থাকবে না। ধীরে ধীরে পুরো প্রতিষ্ঠান পরিণত হবে জর্ডানের পেত্রা কিংবা মিসরের আল-কারাফাহ জেলার মতো মৃতদের শহরে।
ড. মো. আদনান আরিফ সালিম : গবেষক ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, সহযোগী অধ্যাপক, বাংলাদেশ উনুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
আরও পড়ুন:
মার্কিন শ্রমনীতি দেশের জন্য কতটুকু প্রযোজ্য?
মতামত লেখকের নিজস্ব