‘আপনারা রিংকুকে বলির পাঁঠা বানিয়েছেন’
রিংকু সিং। ছবি: সংগৃহীত
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ভারতের ১৫ সদস্যের দলে রিংকু সিংয়ের জায়গা না হওয়ায় নির্বাচকদের ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন দেশটির সাবেক ক্রিকেটার কৃষ্ণচামারি শ্রীকান্ত। ২৬ বছর বয়সী রিংকুকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
২০২৩ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় রিংকুর। এখনো পর্যন্ত ১৫ ম্যাচ ও ১১ ইনিংসে ব্যাট করেছেন এই ফিনিশার ব্যাটার। যেখানে ১৭৬.২৪ স্ট্রাইকরেটে ৩৫৬ রান করেছেন রিংকু। এ বছরের জানুয়ারিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ খেলেছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শ্রীকান্ত কথা বলেছেন আফগানদের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে রিংকুর অপরাজিত ৬৯ রানের ইনিংস নিয়ে। রিংকুকে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নির্বাচকদের নির্বুদ্ধিতা বলেও উল্লেখ করেছেন শ্রীকান্ত।
তিনি বলেন, ‘সে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে রোহিত যেই ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিল সেই ম্যাচের কথা মনে আছে? ভারত ২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল, তারপর ২১২ রান করে। গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছিল রিংকু। সে যখনই ভারতের হয়ে খেলেছে, তখন নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েই খেলেছে। এটা নির্বুদ্ধিতা, বুদ্ধিহীন নির্বাচন (স্কোয়াড)। দলে ৪ স্পিনারের কী দরকার? তাদের সবারই যেতে হবে? আপনারা এই দল নির্বাচন করেছেন কিছু মানুষকে খুশি করতে এবং রিংকুকে বলির পাঁঠা বানিয়েছেন।’
রিংকু কেন ১৫ সদস্যের দলে থাকার দাবিদার সেই প্রসঙ্গে শ্রীকান্ত বলেন, ‘রিংকু যতগুলো সুযোগ পেয়েছে প্রত্যেকবারই সে পারফর্ম করেছে। আপনি কীভাবে রিংকুকে বাদ দেন? আপনি অন্য যে কাউকে বাদ দিতে পারেন, সেটা ব্যাপার না। আমার দৃষ্টিতে, রিংকু সিংয়ের থাকা (স্কোয়াডে) দরকার ছিল, এমনকি সেটা যশস্বী জয়সোয়ালকে বাদ দিয়ে হলেও।’
যদিও রিংকু, খলিল আহমেদ ও আভেশ খানকে ভারতের রিজার্ভ দলে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, দলের সঙ্গে ভ্রমণ করবেন তারাও। টুর্নামেন্টে ‘এ’ গ্রুপে পড়েছে ভারত। এই গ্রুপে ভারতের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের পাশাপাশি আছে আয়ারল্যান্ড, কানাডা ও আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র।
ভারতের বিশ্বকাপ দল
রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), হার্দিক পান্ড্য (সহ-অধিনায়ক), যশস্বী জয়সওয়াল, বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদব, ঋষভ পান্ত (উইকেটরক্ষক), সাঞ্জু স্যামসন (উইকেটরক্ষক), শিভাম দুবে, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, যুজবেন্দ্র চাহাল , আরশদীপ সিং, জাসপ্রিত বুমরাহ ও মো. সিরাজ।