‘হলো নাইটে’র নতুন গেম মুক্তি পেতেই ক্র্যাশ করল সার্ভার
বছরের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত ভিডিও গেম হলে নাইট: সিল্কসং মুক্তি পেতেই বিশ্বজুড়ে গেমাররা ঝাপিয়ে পড়েন তা অর্ডার করতে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাতে এই গেমটি বাজারে আসে। লঞ্চ হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই জনপ্রিয় গেম স্টোর স্টিম, নিনটেনডো, প্লেস্টেশন ও এক্সবক্স এর মতো সিমুলেটরগুলোতে ঝড় ওঠে। অতিরিক্ত চাপে মুহূর্তেই ক্র্যাশ করে যায় সাইটগুলো।
ব্যবহারকারীরা জানান, তারা গেম কিনতে গেলে বারবার এরর কোড আসছিলো। কারও ক্ষেত্রে পেমেন্ট সম্পূর্ণ হচ্ছিল না, কারও ক্ষেত্রে গেম লাইব্রেরিতে যোগ হচ্ছিল না। সাইট মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম ডাউনডিটেক্টর এর তথ্য অনুযায়ী, একসময় প্রায় ৩ হাজার ৭৫০ ব্যবহারকারী একসঙ্গে সমস্যার রিপোর্ট দেন। সমস্যাগুলো প্রায় দুই ঘণ্টা ত্রিশ মিনিট ধরে চলে।
এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে অনেক ভক্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এক্স-এ একজন গেমার লেখেন, ‘এটা একেবারেই অদ্ভূত ব্যাপার! এত বছর ধরে অপেক্ষা করার পর যখন গেমটা অবশেষে মুক্তি পেল, তখন কিনতেই পারছি না!’
আরও পড়ুন:
রোগীর পেটে জীবন্ত মাছি!
আরেকজন মন্তব্য করেন—‘এত বড় লঞ্চে প্রি-অর্ডারের ব্যবস্থা না থাকা সত্যিই বোকার মতো কাজ। আগে ভাগেই বুক করার সুযোগ থাকলে এমন বিপর্যয় হতো না।’
হলো নাইট সিরিজ গেমারদের কাছে এক বিশেষ আবেগের জায়গা তৈরি করেছে। ২০১৭ সালে প্রথম গেম মুক্তির পর থেকে এ পর্যন্ত দেড় কোটিরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। গেমটির গা ছমছমে আর্টস্টাইল, চ্যালেঞ্জিং গেমপ্লে এবং ডার্ক ফ্যান্টাসি গল্প ভক্তদের মধ্যে বিশাল জনপ্রিয়তা এনে দেয়।
আরও পড়ুন:
২৫ জিম্মিকে মুক্তি দিল হামাস
এই সিরিজটি তৈরি করেছে মাত্র তিন সদস্যের ছোট্ট একটি ডেভেলপমেন্ট টিম; যার নাম টিম চেরি। তারা অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড শহরে কাজ করে। গেমটির মূল ডেভেলপের মধ্যে একজন উইলিয়াম পেলেন বলেন, ‘আমাদের আশা ছিল, হলো নাইট এমনভাবে তৈরি হবে যাতে এটা কখনো পুরোনো না লাগে। এখনো প্রতিদিন নতুন গেমাররা প্রথম গেমটি আবিষ্কার করছেন—এটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।’