ঝিনাইদহে মারপিটের শিকার যশোরের ৩ পুলিশ
এক কিশোরীকে উদ্ধার করতে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে গিয়ে মারপিটের শিকার হয়েছেন যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার তিন পুলিশ সদস্য। আজ সোমবার বিকেলে কালীগঞ্জ পৌরসভার বাকুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার তিন পুলিশ হলেন যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) তাপস কুমার পাল, কনেস্টবল রাবেয়া খাতুন ও ফারজানা খাতুন।
সূত্র জানিয়েছে, কিছু দিন আগে কালীগঞ্জের বাকুলিয়া গ্রামের সুজন হোসেন নামে এক যুবক যশোর থেকে অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কিশোরীকে নিয়ে বিয়ে করেন। এ ঘটনায় মেয়ের পরিবার যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দেয়। অভিযোগের ভিত্তিতে যশোর কোতয়ালী মডেল থানার ওই ৩ পুলিশ সদস্য সোমবার বিকেলে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের সহযোগিতায় কিশোরীকে উদ্ধারে ওই গ্রামে যান।
ওই কিশারীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা একজোট হয়ে পুলিশ সদস্যদের মারপিট করে কিশোরীকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম হাওলাদার ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ সদস্য ও কিশোরীকে উদ্ধার এবং আহত পুলিশ সদস্যদের কালীগঞ্জ হাসপাতালে পাঠান।
জানতে চাইলে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আবুল হাসনাত বলেন, ‘আপনারা কালীগঞ্জ থানার ওসির সাথে যোগাযোগ করেন। আমি কিছুই বলতে পারব না।’ এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি শহিদুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, ‘আমরা তাদের উদ্ধার করেছি। এখন যশোর কোতোয়ালি থানা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’