অপরাধীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর হতে বললেন রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি: ফোকাস বাংলা
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘দেশ অনিশ্চয়তার মধ্যে যাচ্ছে। যদি প্রশাসন যথাযথ কাজ না করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব সবাইকে জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসা। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে।’
আজ বুধবার গুলশানে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর পক্ষ থেকে ক্যানসার আক্রান্তদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘এখন পাড়া-মহল্লায় গডফাদার তৈরি হচ্ছে। মানুষ আতঙ্কিত। হাসিনার পতনের পর সবাই শান্তিতে থাকবে, এমনটাই প্রত্যাশা ছিল জনগণের, কিন্তু জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।’
আরও পড়ুন:
রাজধানীতে কিশোরীসহ ২ জনের মরদেহ উদ্ধার
তিনি বলেন, ‘সারাদেশের মানুষ যারা ১৬ বছর নৈরাজ্যের মধ্য দিয়ে গেছে, সন্তান-স্ত্রী ফেরত আসবে কি না, মেয়ে স্কুলে গিয়ে ফেরত আসবে কি না, এই অনিশ্চয়তার মধ্যে কেটেছে। কিন্তু এখনও যদি বাসে ডাকাতি করে, নারী ধর্ষণ হয়, নারী ধর্ষণের তিন দিন পর পুলিশ মামলা নেয়, বলে এটা ঠিক ধর্ষণ নয় শ্লীলতাহানি, এটা একজন নারীর প্রতি বিদ্রুপ করা। এটা আমরা প্রত্যাশা করি না।’
আরও পড়ুন:
নির্বাচন নিয়ে কী ভাবছে এলডিপি?
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমাদের সমন্বয়ের সংস্কৃতি ধারা ভেঙে ফেলা হচ্ছে। যে মাজারে যেতে চায় যাবে। কেন বসন্তবরণ, নাটকে বাধা দেওয়া হচ্ছে? কেন মাজার ভাঙা হবে? আমরা যেমন মসজিদে যাই, তেমন বসন্তবরণ কিংবা নজরুলজয়ন্তী, রবীন্দ্রজয়ন্তী করেছি। আমাদের হাজার বছরের সমন্বিত সংস্কৃতি আছে। কৃষ্টি কালচারের চর্চা হবে না, এটা হবে না। অশ্লীলতাকে আমরা খারিজ করি, কিন্তু আমাদের সাংস্কৃতিক চর্চা থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের ১৬ বছরের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে ক্রমাগতভাবে করে এসেছি। এর মধ্যে কতজনের জীবন গেছে, দৃষ্টিহীন হয়েছে সেটার শেষ নেই, কিন্তু আমরা চেয়েছি এমন সমাজ, যে সমাজ প্রত্যেককে ধারণ করে, প্রত্যেককে সেখানে লালন করে।’