ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
মাওলানা মো. হেমায়েত উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় রাজাপুর উপজেরা সদরের আলোকিত ক্যাডেট মাদ্রাসার সভাকক্ষে এক জরুরি মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল এ ঘোষণা দেন।
এ সময় ঝালকাঠি জেলা আমির অ্যাডভোকেট মো. হাফিজুল রহমান, উপজেলা আমির মাওলানা মো. কবির হোসেনসহ উপজেলার ৬ ইউনিয়ন আমির ও সম্পাদক ও সূরা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রার্থীর নাম মাওলানা মো. হেমায়েত উদ্দিন। তিনি ঝালকাঠি সদর উপজেলার ধানসিড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম বিন্নাপাড়া এলাকার আব্দুল মন্নান সিকদারের ছেলে। তিনি প্রায় ৩২ বছর পূর্বে রাজাপুর উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের বাগড়ি এলাকায় জমি ক্রয় করে বাড়ি করেন। বর্তামানে তিনি এই এলাকার বাসিন্দা ও ভোটার। তিনি রাজাপুর উপজেলার ইসাহাকাবাদ হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।
প্রার্থীতার বিষয়ে জানতে চাইলে সোমবার দুপুরে মাওলানা মো. হেমায়েত উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনো মনোনয়ন ব্যক্তি বা কারো চাওয়ার আগ্রহের মাধ্যমে নির্ধারণ হয় না। এটা কয়েক মাস পূর্বেই দলের তৃনমূল সদস্যদের কাছ থেকে মতামত সংগ্রহ করে জেলায় পাঠায়। জেলা থেকে কেন্দ্রে। কেন্দ্র যাচাই-বাছাই করে তারপর প্রার্থীতা চূড়ান্ত করা হয়। গত রবিবার একটি জরুরি সভায় কেন্দ্রের সিধান্ত অনুয়ায়ী আমাকে ঝালকাঠি-১ আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি ও আমার দল যদি বিজয় হয় তা হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মূল লক্ষ্য কোরআন সুন্নাহ হিসেবে দেশ গড়া। সেটা আমরা করব। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা, সব মানুষকে আল্লাহর গোলাম হিসেবে মেনে নেয়া। সব মানুষের প্রতি এক দৃষ্টি দেয়া। যাহাতে ইসলামের আওতায় কোনো মানুষ অভাবে, অভিযোগে, রোগে কেউ না ভোগে এ ব্যাপারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কাজ করবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার অঞ্চলের কোনো মানুষ অভিযোগ নিয়ে আদালত পর্যন্ত যাক বা কোনো কষ্ট পাক এরকমের কোনো কার্যক্রম চালু থাকবে না। বরং চালু থাকবে যে কোনো মানুষের অভিযোগ স্থানে বসেই স্থানীয়দের মাধ্যমে সমাধান করা হবে। আমাদের পরিবেশ, প্রশাসন রাস্তাঘাট সব কিছুই আমাদের বাংলাশের তৌফিক অনুযায়ী কোনো প্রকার চুরি ও জুলুম অত্যাচার ছাড়া মানুষের দোড়গোড়ায় সরকারি সাহায্য পৌঁছে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।