মামলা থেকে স্ত্রীসহ অব্যাহতি পেলেন ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক

আদালত প্রতিবেদক
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৮:৪৯
শেয়ার :
মামলা থেকে স্ত্রীসহ অব্যাহতি পেলেন ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক

আদালত প্রাঙ্গণে ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল হক ও তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকার। ছবি: সংগৃহীত

গৃহকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় করা একটি মামলায় কারাগারে রয়েছেন ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল হক ও তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকার। আরেক গৃহকর্মী আহত হওয়ার মামলা থেকে তাদের দুজনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকী আল ফারাবী এ অব্যাহতির আদেশ দেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। সেই প্রতিবেদন গ্রহণ করে আদালত আসামিদের অব্যাহতি দেন।

অব্যাহতি পাওয়া মামলায় বলা হয়, গত বছরের ৪ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সাংবাদিক আশফাকুল হকের বাসার ৮তলা থেকে পড়ে আহত হয় ফেরদৌসী নামের এক গৃহকর্মী। পরে এ ঘটনায় তার মা জোছনা বেগম মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সৈয়দ আশফাকুল হক, তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকার ও আসমা আক্তার শিল্পী নামের এক নারীকে আসামি করা হয়।

মামলায় মা জোছনা বেগম অভিযোগ করেন, ‘মামলার ৩ নম্বর আসামি আসমা আক্তার শিল্পীর বাসায় আমার বড় মেয়ে কাজ করত। এক মাস আগে সে ওই বাসা থেকে গ্রামে চলে আসে। এরপরই শিল্পী আমার মেঝো মেয়ে ফেরদৌসীকে তার বাসায় কাজের কথা বলে নিয়ে আসে। কিন্তু চলতি মাসের ১ তারিখে (২০২৩ সালে ১ আগস্ট) তাকে মোহাম্মদপুরে সৈয়দ আশফাকুল হক ও তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকারের বাসায় কাজ করতে পাঠান শিল্পী।’

তিনি আরও বলেন, ‘এরপর থেকে আমি যোগাযোগের চেষ্টা করলে আশফাকুল হক ও তানিয়া খন্দকার আমার সঙ্গে মেয়েকে কথা বলতে দেননি। তাকে মারধর করত। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অত্যাচার থেকে বাঁচতে ফেরদৌসী বাসার অরক্ষিত অবস্থায় রাখা নিরাপত্তা বেষ্টনীবিহীন জানালা দিয়ে লাফ দেয়।’

এদিকে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি আশফাকুল হকের রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আবাসিক ভবনের নবম তলা থেকে পড়ে এক কিশোরী গৃহকর্মীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গত ৭ জানুয়ারি সৈয়দ আশফাকুল হক, তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন গৃহকর্মী প্রীতির বাবা লুকেশ ওড়ান। এরপর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সেই মামলায় তারা কারাগারে রয়েছেন।