আলো দেখে আহত শিক্ষককে ফেলে পালিয়ে গেলেন তারা
হাসপাতালে স্কুলশিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান জাকির। ছবি: আমাদের সময়
ঝালকাঠির রাজাপুরে এক স্কুলশিক্ষকের পেটে পিস্তল ঠেকিয়ে হাতুড়িপেটা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল রবিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে উপজেলার মধ্য নারিকেল বাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান জাকির রাজাপুরের নারিকেল বাড়িয়া এলাকার মো. মোতাহার হাওলাদারের ছেলে। তিনি নুরুন্নাহার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক।
শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গতকাল সন্ধ্যার পর অবসরে যাওয়া এক শিক্ষককে এগিয়ে দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। এ সময় পথে কিশোর গ্যাং নিয়ে তার পেটে পিস্তল ঠেকিয়ে পথরোধ করেন তৌহিদুল ইসলাম চান। পেটে পিস্তল ঠেকানোর ফলে কোনো ডাক চিৎকারও দিতে পারেননি তিনি। চানের সঙ্গে থাকা ফারুক, তুহিন, রাকিব, মোস্তাফিজ, খলিলুর রহমানসহ আরও কয়েকজন তাদের হাতে থাকা লাঠি ও হাতুড়ি নিয়ে মারধর শুরু করেন। এতে মাথা ফেটে রক্তাক্ত হন শিক্ষক মোস্তাফিজুর।
শিক্ষক মোস্তাফিজুর আরও জানান, ওই সময় পাশে আলো দেখতে পেয়ে তাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে সবাই পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন মোস্তাফিজুরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। এখন তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভার্তি রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ২৫ জানুয়ারি ওই কিশোর গ্যাং নারিকেল বাড়িয়া (ক্লাব) বাজারের ক্ষুদ্রব্যবসায়ী জাকির হোসেন হাওলাদারকেও চাঁদার দাবিতে আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে মারধর করে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নলেজে আসছে। এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’