নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে অবরোধ তুলে নিলেন রাবি শিক্ষার্থীরা

রাবি প্রতিনিধি
১০ মার্চ ২০২৫, ১৬:৩২
শেয়ার :
নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে অবরোধ তুলে নিলেন রাবি শিক্ষার্থীরা

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে রাবি শিক্ষার্থীরা। ছবি: আমাদের সময়

নারী নিপীড়ন, সহিংসতা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থানের পর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে অবরোধ তুলে নেন তারা।

আজ সোমবার বেলা ১টার দিকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট রাইটস অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি ও সাবেক সমন্বয়ক মেহেদী সজিব।

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে তিনি বলেন, আগামীকাল থেকে চোখে কালো কাপড় পরে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করব এবং সবাই ‘We want justice, no more rapist’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে অনলাইন ক্যাম্পেইন চালাব।

এ সময় তারা, ‘ধর্ষকের শাস্তি, মৃত্যু মৃত্যু’, ‘একটা একটা ধর্ষক ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর’, ‘ধর্ষকের ঠিকানা, এ বাংলায় হবে না’, ‘আমার বোন ধর্ষিত কেন? ইন্টেরিম জবাব দে’, ‘অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘ছাত্র সমাজের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘রাবিয়ানদের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই’, ‘বিচার বিচার বিচার চাই, ধর্ষকের বিচার চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ১৫ দিন তদন্ত ৩০ দিনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, প্রত্যেক বিভাগীয় শহরে ডিএনএ সেম্পলিং মেশিন স্থাপন করতে হবে। এ ছাড়া বিচারকাজে কোনো রকম ফাঁকিবাজি চলবে না। কারোর রাজনৈতিক পরিচয়ে ছাড় দেওয়া চলবে না।

এর আগে, আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় তারা বিভিন্ন বিভাগ ও হল থেকে মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে একত্রিত হন। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে জোহা চত্বর হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনের মহাসড়কে বেলা ১২টার দিকে থেকে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে রাবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিলিত হয়।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি নারী ও শিশুদের নিয়ে হেনস্থা ও নিপীড়নের বেশ কয়েকটি ঘটনার মধ্যেই মাগুরায় আছিয়া নামে একটি শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। বিষয়টিকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হিসেবে দেখছেন অনেকে।