উজবেকিস্তানে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন
ছবি: সংগৃহীত
উজবেকিস্তানে বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযথ মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন করেছে। আজ রবিবার দূতাবাসের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে দেশটির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডিন, অধ্যাপক ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। দিবসটি উপলক্ষে পাঠানো রাষ্ট্রপ্রতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। বঙ্গবন্ধুর ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সকল শহিদ সদস্য ও মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জনগনের অব্যাহত সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সহ সকল আন্দোলনে তার বলিষ্ঠ ও দুরর্দশী নেতৃত্ব ও অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ উল্লেখ করে সকলের জন্য একটি সুন্দর ও শান্তিময় সমাজ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও নীতির গুরুত্ব, প্রাসঙ্গিকতা ও বাস্তবায়েনের ওপর আলোকপাত করেন।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবন, সংগ্রাম, ত্যাগ ও দেশপ্রেম সমগ্র বিশ্বের মুক্তিকামী ও শান্তিকামী জনগণের জন্য এক চিরন্তন অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। জাতির পিতার আদর্শ ও দর্শনসহ বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি উজবেকিস্তানে পরিচিতি ও প্রসারে অবদান রাখার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনুরোধ জানাই। ’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উজবেকিস্তানের স্টেট ইউনিভার্সিটি অব ওয়ার্ল্ড ল্যাঙ্গুয়েজের অনুবাদ বিভাগের ডিন ড. উলুগবেগ এবং অধ্যাপক ড. খোলমাতোভা বেগুইম।
দিবসটি উপলক্ষে একটি চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় যেখানে শিশু-কিশোররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। পরে কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।
আরও পড়ুন:
২৪ দিনে রেমিট্যান্স এল ১৪৯ কোটি ডলার