ম্যানিলাতে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত
ম্যানিলাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত
ম্যানিলাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন করেছে। দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন দূতাবাস কর্মকর্তাগণ। এরপর বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ওপর নির্মিত একটি বিশেষ প্রমাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এফ. এম. বোরহান উদ্দিন তার বক্তব্যের শুরুতেই জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বাঙালি জাতির দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ ২৪ বছরের সংগ্রাম ও মহান আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পাকিস্তানের কারাগারে ২৯০ দিন বন্দি থাকার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি লন্ডন ও নয়াদিল্লি হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সদ্য স্বাধীন বাঙালি জাতির কাছে ছিল একটি বড় প্রেরণা। আজকের এই দিনে তার দেশে প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়েই আমাদের মহান বিজয় পরিপূর্ণতা পায়।’
আরও পড়ুন:
২৪ দিনে রেমিট্যান্স এল ১৪৯ কোটি ডলার
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র এক বছরের মাথায় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন করেন। সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে যুদ্ধবিদ্ধস্ত একটি সদ্য স্বাধীন দেশকে পুনর্গঠন করে তিনি দেখিয়ে দিয়েছিলেন যে, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও তিনি একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক। তার অসামান্য নেতৃত্বে অতি অল্প সময়ের মধ্যেই একটি গর্বিত জাতি হিসেবে স্বতন্ত্র পরিচয়ে পৃথিবীর বুকে
মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর যে সম্মান বাঙালি পেয়েছে, তার জন্য বাঙালি জাতি তার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ ও চিরঋণী।’ জাতির পিতার দেশপ্রেমের আদর্শকে ধারণ করে তার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে স্ব-স্ব জায়গা থেকে সকলকে কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান রাষ্ট্রদূত।
আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নতি কামনা করে এবং জাতির পিতা ও তার পরিবারের সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।